লোহাগাড়ার পুটিবিলা ইউনিয়নের তাতি পাড়া। একটি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। বাংলাদেশের বাকী ৪৫৬১টি ইউনিয়ন থেকে এটির ভিন্নতা হলো; এ ইউনিয়নে আছে ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি পার্ক। পার্কটির নাম নাসিম পার্ক। নাসিম নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্টে গড়ে তুলেছেন এই পার্ক। পার্কটির অভ্যন্তরে রয়েছে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কমিউনিটি সেন্টার।
শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মনোরঞ্জনের জন্য এখানে রয়েছে দোলনা চেয়ার, ফুলের বাগান, পানির ফোয়ারা, পুকুর এবং সারিবদ্ধ গাছ লাগানো বিস্তৃত প্রান্তর। কিছুদূর পর পর রয়েছে নানা রকম জন্তু যেমন হরিণ, হাতি ও বাগের প্রতিকৃতি। কমিউনিটি সেন্টারের মূল ফটকে আছে একটি বানর। স্থানীয় মোজাফফর আহমদ নামের এক ব্যক্তি এটি দেখাশুনার দায়িত্বে আছেন।
এ ইউনিয়ন চারদিকে ছোট-বড়-মাঝারি অসংখ্য পাহাড় ও খালে ঘেরা। নাসিম পার্ক সুকছড়ি খালের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে; ডলু ও হরি খাল। বর্ষার মৌসুমে খালগুলো পানিতে টইটুম্বুর থাকে।
একটি অ্যাড ফার্মে কাজ করতাম বছর তিনেক আগে। বই ও ম্যাগাজিনের অনেক কা জ করেছি। নির্দিষ্ট সাইজ নিয়ে .৭৫ ইন্সি অপসেট পাথ রেখে পেজকে কাজ অনুযায়ী দু কলাম তিন কলামে ভাগ করে লিংক করে কাজ করাটাই ডিজাইন। প্রতি ৮ পেজে ফর্মা হিসেব করে কাজ করতাম। কিন্তু বিপত্তিটা হতো আউটপুট সেটিং দিতে গিয়ে। শাফুল দা পেছনে বসে ডিরেকশন দিতো, আর আমি সেটিং দিতাম। ভাল করে বুঝতাম না। উনিও অত ইজি করে বোঝান নি। আমিও শেখার খুব আগ্রহ দেখাইনি কারণ সময়মত শাফুল দাকে তো পাচ্ছিই; তাহলে শুধু শুধু এত প্রেশার নিয়ে লাভ কী! কিন্তু একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার মাত্র বুঝবেন আউটপুট সেটিং যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যতই ডিজাইন জানেন, প্রিন্টিং আউটপুট সেটিং যদি না বুঝেন, আপনাকে সঠিক মূল্যায়ন করা হবে না। ভাল প্রতিষ্ঠানে গেলেই প্রথম প্রশ্ন আউটপুট ছাড়তে পারবেন কি না? আউটপুট সেটিং ডিজাইনের প্রাণ। অবশ্য যারা শুধুই ফ্রিল্যান্সিং করেন, লোকাল কোম্পেনিতে কাজ করেন না, তাদের ক্ষেত্রে এটা না জানলেও তেমন সমস্যা হবে না। তবে এ শিল্পে পেশাদার হতে হলে অবশ্যই প্রিন্ট আউটপুট সেটিং জানতে হবে। এরপর গুগল ও ইউটিউবে অনেক সার্চ করেও ভাল প্রিন্ট আউটপুট সেটিং...
Comments
Post a Comment